কামাল মিয়াজী , চরফ্যাশন,ভোলা: ভোলার চরফ্যাশনে গ্রামীণ খামারিদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্র্যাকের গবাদিপ্রাণি সুরক্ষা বিমা কর্মসূচির আওতায় এক বীমা দাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১০টায় চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের মধ্য আলীগাঁও গ্রামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিএম আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিআইজিডি-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ড. ইমরান মতিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চরফ্যাশন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ড. মোহাম্মদ রাজন আলী, ব্র্যাকের এগ্রিকালচার অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স টিম লিডার মো. রেজাউল করিম, সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার (প্রগতি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার (দাবি) আব্দুল মালেক জমাদ্দার, রিজিওনাল ম্যানেজার (দাবি) বিশ্বজিৎ কুমার ঘোষ , ব্র্যাক ভোলা জেলা কো-অর্ডিনেটর মো. হাফিজুর রহমান, বিআইজিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. আসিফ শাহান, রিসার্চ কো-অর্ডিনেটর ফারুক হোসাইন, সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মো. মাশরুকুজ্জামান ও সিনিয়র ফিল্ড অ্যাসোসিয়েট সুব্রত কুমার পাল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলার এক্সটেনশন অফিসার বিকাশ চন্দ্র শীল, ব্র্যাক চরফ্যাশন এরিয়া ম্যানেজার (দাবি) মোস্তফা কামাল, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার (প্রগতি) বরুন হাওলাদার, ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার মো: মাহাবুব আলম, আরসি (লিড জেনারেশন) ভোলা-২ এর মিজানুর রহমানসহ স্থানীয় কৃষক, কৃষাণী ও খামারিরা।
অনুষ্ঠানে বীমাকৃত গবাদিপ্রাণি মৃত্যুবরণ করায় ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্রাক থেকে ৫৪ হাজার টাকার বীমা দাবি গ্রহণ করেন খামারি আরজু বেগম।
বক্তারা বলেন, ব্র্যাকের ‘গবাদিপ্রাণি সুরক্ষা বিমা’ কর্মসূচি বর্তমানে দেশের ১ হাজার ৪৭১টি শাখায় সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো গরুর মৃত্যু, দুর্ঘটনা বা রোগজনিত ক্ষতির কারণে খামারিদের আর্থিক ক্ষতি কমানো এবং তাদের বিনিয়োগ ও জীবিকা সুরক্ষিত রাখা। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বক্তারা আরও বলেন, ব্র্যাকের এই উদ্যোগ শুধু ক্ষতিপূরণ প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি খামারিদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, টেকসই পশুপালন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
ব্র্যাক সূত্রে জানা যায়, এ বিমার আওতায় খামারিরা রোগ বা দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ পাওয়ার পাশাপাশি গবাদি পশুর বিভিন্ন রোগের টিকা, বছরে দুইবার কৃমিনাশক প্রয়োগ এবং বিনামূল্যে টেলিমেডিসিন সেবা পেয়ে থাকেন।
